তিস্তার ভাঙ্গন শুরু,শঙ্কায় নদীপাড়ের মানুষ

29

“এই মসজিদত হামরা নামাজ পড়ছিনো,নদী আসি মসজিদটাও ভাঙি নিয়ে গেলো” কথা বলতে বলতে দু’চোখের কোণে জল আসে চর বিনিবিনার বাসিন্দা ৭০ বছর বয়সী রুহুল আমিনের।

২ দফা নির্মানের পর ২’বারই তিস্তার নদীগর্ভে বিলীন হলো মসজিদটি। জিওব্যাগ আর গাছের ডালপালা ফেলেও মসজিদটিকে রক্ষা করতে না পেরে নদীর দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলছিলেন তিনি।

গত ৩ দিনের বৃষ্টি আর উজান থেকে আসা ঢলে তিস্তায় হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানিয়েছ তিস্তার পানি বিপসীমার ২০ সে.মি নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বর্ষা মৌসুম শুরু হতে না হতেই ভাঙন শুরু হয়েছে গঙ্গাচড়ার পুর্ব ও পশ্চিম চর বিনাবিনার ২ টি পয়েন্টে।ইতোমধ্যেই নদীতে বিলীন হয়েছে ৬শত মিটার বাঁধ ও ২০-২৫ একর আবাদী জমি।

একদিকে লকডাউন আর অন্যদিকে তিস্তার ভাঙনে বসত-বাড়ি হারানোর শঙ্কায় এই এলাকার মানুষ। সরেজমিনে দেখা গেছে,গত ২’দিনে চর পূর্ব বিনবিনা গ্রামের মসজিদসহ ১০০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এ গ্রাম থেকে মূল সড়কে আসার একমাত্র রাস্তাটিও হুমকির মুখে। পশ্চিম বিনবিনার আরেকটি পয়েন্টে কম ভাঙন হলেও তা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে। এলাকাবাসীদের উদ্যোগে জিওব্যাগ,বাঁশ-ঝাড়,ও গাছের ডালপালা ফেলে ভাঙ্গন রোধের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ড কোন ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ চরের বাসিন্দাদের। তবে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়ে হলে বসতভিটা হারিয়ে রাস্তায় বসতে হবে বলেও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ গ্রামের বাসিন্দা তৈয়ব আলী জানান,গ্রামবাসীর উদ্যোগে নির্মিত মসজিদটি গত বছর নদীতে ভেঙ্গে যাবার পর এবছর আবারো নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্ত ভাঙনের কবলে আবারও মসজিদটি বিলীন হয়ে গেল। এলাকাবাসীর উদ্যোগে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন রোধের চেষ্টা করা হলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড কোন ব্যবস্থা নেয়নি বলেও অভিযোগ জানান তিনি। তিনি আরো বলেন,আগামী ২ দিন বৃষ্টি থাকলে তিস্তার পানি বাড়তে থাকবে। তখন এই গ্রামকে আর বাঁচানো সম্ভব হবেনা।

আরেক বাসিন্দা সোলায়মান আলী জানান,গতবছরের ভাঙনে গ্রামের বেশিরভাগ অংশই তিস্তার গর্ভে বিলীন হয়েছে। এবার মনে হয় বাকি গ্রামটাও যায়।

কোলকোন্দ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহরাব আলী রাজু জানান,কয়েকদিন আগে থেকেই ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বললে তারা এখানে পরিদর্শনে আসতে চেয়েছে।এখন পর্যন্ত সরকারি সহায়তা হিসেবে আট টন চাল বরাদ্দ পেয়েছেন বলেও জানান তিনি।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিব জানান,আমরা বিষয়টি জেনেছি এবং ভাঙন রোধে দ্রুত নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আমাদের করোনাবিষয়ক ওয়েবসাইড:coronavirus.rcn24bd.com
আমাদের ইংলিশ ওয়েবসাইড :uk.rcn24bd.com

  • লকডাউন নিশ্চিতকল্পে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ

    রংপুর : অতিমারী করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার কর্তৃক ঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউন নিশ্চিতকল্পে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উদযাপনের পর পুনরায় দেশব্যাপী কঠোর লকডাউনের ১ম দিনে রংপুর মেট্রোপলিটন এলাকায় সরকার ঘোষিত বিধি-নিষেধ বাস্তবায়নে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ৬ থানা, ট্রাফিক বিভাগ ও ডিবি’র মোট ২৫ টি টহল টীম এবং বিধি-বহির্ভূতভাবে বিভিন্ন যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে শহরের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার, সড়ক ও স্থানে ২০ টি চেকপোস্ট নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে।

    লকডাউন নিশ্চিতকল্পে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ

    করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে মহানগর এলাকায় যানবাহনের অযাচিত ও অপ্রয়োজনীয় চলাচল নিয়ন্ত্রণে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ৬ থানা ও ট্রাফিক বিভাগ কর্তৃক বিধি-বহির্ভূতভাবে চলাচলরত বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এ মোট ১০২ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে ০১ টি যানবাহন, মোট জরিমানা করা হয়েছে হয়েছে ৩,২২,০০০ টাকা।

    এছাড়াও রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ৬ থানা, ট্রাফিক ও ডিবি কর্তৃকসহ জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনীর টহল দল, র‌্যাব টহল দল এবং বিজিবি টহল দল যৌথভাবে রংপুর মেট্রোপলিটন এলাকায় লকডাউনের বিধি নিষেধ বাস্তবায়নে মোট ১০ টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে। এতে মোট ১,২০০ টাকা টাকা জরিমানা করা হয়। লকডাউনের বিধি নিষেধ বাস্তবায়নে রংপুর মেট্রোপলিটন এলাকায় আজ সেনাবাহিনীর টহল দল ২ টি, র‌্যাব এর ২ টি টহল দল, বিজিবির টহল দল ২ টি ও আনসার ব্যাটালিয়নের ২ টি টহল দল কাজ করছে।

    লকডাউন নিশ্চিতকল্পে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ

    অতিমারী করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার কর্তৃক ঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউন নিশ্চিতকল্পে রংপুর মেট্রোপলিট পুলিশের সকল থানা, ট্রাফিক ও ডিবি পুলিশ আজ রংপুর শহরের সকল গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় টহল, অভিযান পরিচালনা, জরুরী প্রয়োজনে বের হওয়া লোকজনদের মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, মাস্ক বিতরণ ও জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রচারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে।

    আরসিএন ২৪ বিডি. কম / ২৩ জুলাই ২০২১
    এ এফ

  • রমেকে থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডার পাচারের অভিযোগে ৬ জনকে আটক

    রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতাল থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডার পাচারের অভিযোগে ৩টি ট্রাক জব্দসহ ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ। ট্রাকসহ আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রংপুর মেট্রোপলিটন কোতয়ালী থানায় নেয়া হয়েছে।

    রমেকে থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডার পাচারের অভিযোগে ৬ জনকে আটক

    হাসপাতাল কর্মচারী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,আজ শুক্রবার (২৩জুলাই) বাদ জুমা “রংপুর মেডিকেল কলেজ” রমেক হাসপাতালের অক্সিজেন সিলিন্ডার আনা-নেয়া করার গেটে ৩টি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো ট-১৫-৭৬৮৩, ঢাকা মেট্রো ট-২২-৩১৩৬ ও ঢাকা মেট্রো ট-১৫-৬৭৮১) আসে। ট্রাকের চালক ও হেল্পারদের জিজ্ঞাসা করা হলে তারা বলেন এ হাসপাতাল থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডার ঢাকায় নিতে ট্রাকগুলো আনা হয়েছে। ডাঃ রেজাউল নামে ১ ব্যক্তি এই সিলিন্ডার নিয়ে যাওয়ার জন্য ট্রাক ভাড়া করেছেন। হাসপাতালের কর্মচারীরা বুঝতে পেরে পুলিশকে খবর দিলে থানা পুলিশের সদস্যরা এসে ট্রাকের চালক দিনাজপুর সদরের আবুল কাশেমের ছেলে জহুরুল ইসলাম (৪৩), আইনুল হকের ছেলে সুজন হোসেন (২৯), আসমত ফকিরের ছেলে আবুল কাশেম (৪৭), সুরুজ জামানের ছেলে সাইদ হাসান (২৯), চালকের সহযোগি দুলু রাম রায়ের ছেলে আশিক রায় (১৮), আব্দুল গফুরের ছেলে সাইফুল ইসলামকে (৩৪) আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে ৩টি ট্রাকসহ তাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রংপুর কোতয়ালী থানায় নেয়া হয়।

    আটককৃত ট্রাকের চালক সুজন হোসেন বলেন, অক্সিজেন সিলিন্ডার পরিবহনের জন্য দিনাজপুর ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের মাধ্যমে ৩টি ট্রাক ভাড়া করে রেজাউল নামের ১ ব্যক্তি। ৪০,০০০ টাকার বিনিময়ে “রংপুর মেডিকেল কলেজ” রমেক হাসপাতাল থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে তা মহাখালীতে পৌঁছে দেয়ার চুক্তি হয়। হাসপাতালের গেটে আসার পর রেজাউল নামের ব্যক্তিকে ফোন দিলে তিনি অক্সিজেন আনা-নেয়ার পয়েন্টে ট্রাক আনতে বলে এবং ১ টি নম্বর দিয়ে সেখানে ৩,০০০ টাকা পাঠাতে বলে। আমরা টাকাগুলো পাঠানোর পর থেকে ওই নম্বরে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। যে নম্বরে টাকা পাঠানো হয়েছে সেটিও এখনও বন্ধ রয়েছে।
    মেট্রোপলিটন কোতয়ালী থানার ওসি বলেন, করোনা কারনে অক্সিজেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এমন সময় যদি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল “রমেক” থেকে অক্সিজেন পাচারের ঘটনায় যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা এ বিষয়ে তদন্ত করে দেখছি। এ ঘটনার সাথে কারা জড়িত এবং প্রত্যকটি বিষয় আমরা খতিয়ে দেখছি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ জন ড্রাইভার ও ৩ জন হেল্পারকে ট্রাকসহ থানা নেয়া হয়েছে।

    আমাদের করোনাবিষয়ক ওয়েবসাইড:coronavirus.rcn24bd.com
    আমাদের ইংলিশ ওয়েবসাইড :uk.rcn24bd.com

    ২৩ জুলাই, ২০২১ (শুক্রবার)
    আরসিএন ২৪বিডি ডট কম

  • গাইবান্ধা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের করা মামলাকে ষড়যন্ত্র মূলক দাবি

    গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে রোগী মৃত্যুর ঘটনায় মারধর ও ভাংচুরের অভিযোগ এনে নিহতের ছেলে জাহিদুল ইসলাম জাহিদকে আসামী করে অজ্ঞাত কয়েকজনের নামে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের করা মামলাকে ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন তার পরিবার।

    শুক্রবার(২৩ জুলাই) দুপুরে বোয়ালী ইউনিয়নের বাটিকামারী গ্রামের বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান জাহিদুল ইসলাম জাহিদের পরিবার।

    তাদের দাবি, গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালের ডাক্তারদের অবহেলার কারনে জাহেদা বেগমের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে স্বজনরা প্রতিবাদ করলে ডাক্তাররা উত্তেজিত হয়ে তাদের মারধর করার চেষ্টা করে। পরে মৃত্যুর ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে নিজেরাই হাসপাতালের ইমারজেন্সি রুমের আসবাবপত্র ভাংচুর করে নিহতের ছেলে জাহিদের নামে মামলা করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।


    উল্লেখ্য: গত ১৮ জুলাই গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলা মারপিট ও ভাংচুুরের ঘটনা ঘটে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান , গাইবান্ধা সদরের বোয়ালী ইউনিয়নের পশ্চিম বাটিকামারী গ্রামের আলতাফ হোসেনের স্ত্রী জাহেদা বেগম (৫৫) কে মুমুর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার স্বজনরা। কিন্তুু দুপুরে যথারীতি হাসপাতালের ল্যাব বন্ধ থাকায় তাদের বাইরে রক্ত পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। রক্ত পরীক্ষা করার পর বিকেলে তাকে আবার হাসপাতালে আনা হয়। পরবর্তীতে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


    রোগীর স্বজনদের দাবী, রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে চিকিৎসকের কাছে আসলে তিনি রিপোর্টে রক্ত স্বল্পতার কারণ দেখিয়ে রক্ত সংগ্রহের কথা বলেন। তারা রক্ত যোগার ও ক্রসম্যাচ করে এনে জানতে পারেন জাহেদা মারা গেছেন। তাদের অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি না করায় চিকিৎসার অভাবে অবহেলায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
    পরে গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে রোগী মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারধর ও ভাংচুরের ঘটনায় জাহিদুল ইসলাম জাহিদের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও,) ডাক্তার হারুন অর রশিদ।

    আমাদের করোনাবিষয়ক ওয়েবসাইড:coronavirus.rcn24bd.com
    আমাদের ইংলিশ ওয়েবসাইড :uk.rcn24bd.com

    ২৩ জুলাই, ২০২১ (শুক্রবার)
    আরসিএন ২৪বিডি ডট কম

    আমাদের সকল নিউজ :RCN24bd.com

  • রবিবার থেকে ব্যাংক খোলা থাকবে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত

    চলমান এই কঠোর বিধি নিষেধ আজ সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত থাকবে। এর মধ্যে আগামী রবিবার(২৫ জুলাই) থেকে ব্যাংক দুপুর দেড়টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

    সেই সাথে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো খোলা থাকার পাশাপাশি শেয়ারবাজারেও লেনদেন হবে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান কঠোর বিধি নিষেধ এর মধ্যে আগামী ২৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ব্যাংক স্বাস্থ্য বিধি মেনে সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে।

    আগামী রবিবার থেকে সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এবং লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ করার জন্য বেলা ৩টা পর্যন্ত খোলা থাকবে ব্যাংকগুলো।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে , কঠোর বিধি নিষেধ চলাকালে সীমিত সংখ্যক লোকবলের মাধ্যমে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের অত্যাবশ্যকীয় বিভাগসহ ব্যাংক স্বীয় বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক শাখা খোলা রাখতে পারবে।

    এছাড়া প্রতিটি ব্যাংকের প্রধান শাখা, সব বৈদেশিক বাণিজ্য শাখা এবং জেলা, উপজেলা ও সদরে একটি করে শাখা খোলা রাখতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আরসিএন ২৪ বিডি. কম / ২৩ জুলাই ২০২১
    এ এফ

  • সখের একটি চুই গাছ এক লাখ ২৫ হাজার টাকা

    সখের বসে ৪ বছর আগে বাড়ি আম গাছে লাগানো চুই ঝালের ঔষধি একটি গাছ এক লাখ ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে সারা জেলায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে মৌসুমি ব্যবসায়ি ও কৃষক মহিউল ফারুক বুলবুল (৪৯)।

    ৪ বছর আগে ব্যবসায়িক কাজে কুষ্টিয়া যশোর অঞ্চলে গিয়ে ছিলেন, ব্যবসায়ি কৃষক মহিউল ফারুক বুলবুল। সেখানে মাংসে চুইয়ের ঝাল দিয়ে রান্না খেয়ে ভালোলাগে বুলবুলের। বাড়িতে চুইগাছ লাগাবেন। শখের বসে সেখান হতে চুইগাছের ডাল সংগ্রহ করে নিয়ে আসে। বাড়ির ৫টি গাছে লাগান সেই চুইয়ের ডাল। ৪ বছর পর ১টি আম গাছের চুই গাছ বিক্রি করেন এক লাখ ২৫ হাজার টাকা।

    আলোড়ন সৃষ্টি করা এই কৃষকের বাড়ি জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা গ্রামে। মহিউল ফারুক বুলবুল (৫০) সম্ভ্রান্ত কৃষক পরিবারের সন্তান। তিনি ধান চাষের ও খাদ্যের ব্যবসায়ি। কৃষক বুলবুল কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের বানিনগর এলাকার মৃত সোবহান মিয়ার ছেলে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে চুইগাছের ছবি ও দাম পোষ্ট করেন। মুহুতে ভাইরাল। একটি চুই গাছের দাম এক লাখ ১৫ হাজার টাকা। চুই গাছটি নিয়ে অনেকের আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তারা এর চাষ পদ্ধতি ও চারার বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন।
    অনেকেই গাছটি দেখতে আসছেন।

    চুই গাছটি কিনেছে একই উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের কাঞ্চনেশ্বর গ্রামের চুই ঝালের পাইকারি ব্যবসায়ী আজিজুল ইসলাম (৪৫)। বিশাল আকৃতির এই চুইগাছটির গোড়ার দৈর্ঘ্য ছিল সাড়ে চার
    ফুট, ওজন সাড়ে ৩৮ কেজি। শিকড়ের ওজন ছিল ৬০ কেজি এবং লতার ওজন ১৪০
    কেজি। চুই গাছটির ক্রেতা আজিজুল ইসলাম জানান, চুইগাছ কিনে খুলনা,
    সাতক্ষীরার মহাজনের কাছে বিক্রি করেন।

    এই গাছটি খুলনার মোকাররম হোসেন নামের এক মহাজনের কাছে এক লাখ ৬৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন। এই চুইগাছ কেনা- বেচা তার ব্যবসা। চুইগাছের ব্যবসা করে স্বাবলম্বী হয়েছেন।
    কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চুই লতাজাতীয় গাছ। কাল
    ধূসর, পাতা পানের মতো। চুইগাছ মসলা জাতীয় গাছ। রয়েছে ঔষধিগুন। মাংসের
    স্বাদে মরিচের পরিবর্তে চুই ঝাল খেতে সুস্বাদু। বহু যুগযুগ ধওে ভারত

    উপমহাদেশে আয়ুবেদী শাস্ত্রে ঔষধের উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয় আসছে চুইয়ের
    রস। ছাল বাকল ও ছুর্ণ। বর্তমানে প্রতি কেজি শুকনো চুইয়ের দাম এক হাজার
    ৫০০ টাকা থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।


    কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দা সিফাত জাহান জানান, কালীগঞ্জে
    মূলত সুপারি বাগানে সাথি ফসল হিসেবে চুইগাছ লাগানো হয়।

    আমাদের করোনাবিষয়ক ওয়েবসাইড:coronavirus.rcn24bd.com
    আমাদের ইংলিশ ওয়েবসাইড :uk.rcn24bd.com

    ২৩ জুলাই, ২০২১ (শুক্রবার)
    আরসিএন ২৪বিডি ডট কম

    আমাদের সকল নিউজ :RCN24bd.com

০৩ জুলাই, ২০২১ (শনিবার)
আরসিএন ২৪বিডি ডট কম

আমাদের সকল নিউজ :RCN24bd.com

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here