মানুষ মানুষকে উপেক্ষা করে চলতে পারে না। মানুষের পারস্পরিক ভালোবাসা, সহযোগিতায় ও সহমর্মিতা তৈরি হয় সুদৃঢ় মায়ার বন্ধন। সভ্য সমাজ ও নতুন পৃথিবীর ছবি।

হিংসা-বিদ্বেষের অভিশপ্ত আগুনে পুড়ে কলঙ্কিত হয় মানুষ, পরিবার,সমাজ ।

রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমরা একে অন্যের সঙ্গে হিংসা-বিদ্বেষ অনুসরণ করবে না। একে অপরকে শত্রু করবে না। একে অপরের সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করবে না।’ ভাই ভাই হয়ে থাকবে তোমরা আল্লাহর বান্দা হিসেবে ।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৬৪২৪)

হিংসা নেক আমল খেয়ে ফেলে

নবী মুহাম্মদ (সা.) হিংসাকে ঘৃণা করতেন। হিংসার বিরোধিতা সবসময় করতেন। সাহাবিদের হিংসা-বিদ্বেষ মনে না রাখতে আদেশ দিতেন। হিংসা মানুষের ক্ষতি সাধনে হিংসা যথেষ্ট । মানুষের জীবনে হিংসা অমূল্য সম্পদ নেক আমল ধ্বংস করে। ব্যক্তিকে পাপী বানায়। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমরা হিংসা পরিহার করতে শিখো । কারণ কাঠ বা ঘাসকে খেয়ে ফেলে যেমন আগুন , হিংসাও তেমনি মানুষের নেক আমলকে খেয়ে ফেলে।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ৪৯০৩)

জান্নাতের অধিবাসীরা হিংসা করে না

"গুগল নিউজ এ রংপুর ক্রাইম নিউজের সর্বশেষ খবর পড়তে ক্লিক করুন"
গুগল নিউজ এ রংপুর ক্রাইম নিউজের সর্বশেষ খবর পড়তে ক্লিক করুন।

যে জান্নাত লাভ করেছে সে ভাগ্যবান। যে জান্নাতি হবে, তার জীবনে কখন কোনো হিংসা-বিদ্বেষ থাকবে না। হিংসা-বিদ্বেষের জঘন্যতম প্রথা যা জান্নাতি লোকের চরিত্রের সঙ্গে যায় না। জান্নাতি লোক এই সব নোংরা স্বভাব থেকে পবিত্র থাকবে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলতেন, ‘প্রথম যে দল জান্নাতে প্রবেশ করবে তারা পূর্ণিমার চাঁদের মত উজ্জ্বলতম চেহারা নিয়ে প্রবেশ করবে আর তাদের পর যারা প্রবেশ করবে তারা অতি উজ্জ্বল তারার মতো আকৃতি ধারণ করবে।

"নেক আমল "

তাদের অন্তরগুলো এক ব্যক্তির অন্তরের মতো থাকবে। তাদের মধ্যে কোনো রকম মতপাথক্য থাকবে না আর পরস্পর মাঝে হিংসা-বিদ্বেষ থাকবে না।

তাদের প্রত্যেকের ২ জন করে স্ত্রী থাকবে। গোশত ভেদ করে পায়ের নলাম মজ্জা দেখা যাবে । সকাল-সন্ধ্যায় তারা আল্লাহর তাসবিহ এবং জিকির করবে । তারা রোগাক্রান্ত হবে না, থুথু ফেলবে না, নাক ঝাড়বে না । তাদের পাত্রগুলো হবে সোনা ও রুপার আর চিরুনিসমূহ হবে স্বর্ণের। সুগন্ধি কাঠ তাদের ধুনুচিতে থাকবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩২৪৬)

"গুগল নিউজ এ রংপুর ক্রাইম নিউজের সর্বশেষ খবর পড়তে ক্লিক করুন"
গুগল নিউজ এ রংপুর ক্রাইম নিউজের সর্বশেষ খবর পড়তে ক্লিক করুন।

দুটি বিষয়ে হিংসা করা যাবে

হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেন, ‘২ টি বিষয় ছাড়া হিংসা করা যাবে না। ১. যাকে আল্লাহ কোরআন দান করেছেন সে তা দিন-রাত তিলাওয়াত করে। একজন বলল, এই ব্যক্তিকে যা দেওয়া হয়েছে, যদি আমাকেও তা দেওয়া হতো, তবে সে যেমন করছে, আমিও তা করতাম। ২. আল্লাহ যাকে সম্পদ দিয়েছেন, সে তা যথোচিতভাবে খরচ করে। একজন বলল, তাকে যা দেওয়া হয়েছে, তা যদি আমাকে দেওয়া হতো, তাহলে সে যা করে, আমি অবশ্যই তা-ই করতাম।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৭২৩২)

আরো পড়ুনঃ জুমু’আর দিনের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি নেক আমল

জুমার দিনের আট আমল

জুমার দিনের তিনটা ফজিল ও আমল

জুমার দিনের তিনটি আমল

জুমার দিনে এই সূরা পড়ুন ৮০ বছরের গুনাহ থেকে মুক্তি

রংপুর ক্রাইম নিউজ : সকল খবর পড়তে ক্লিক করুন

অনলাইন আপডেট :০১জুন ,২০২১
আরসিএন২৪বিডি.কম