গাইবান্ধা : গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে স্ত্রীকে হত্যা করে থানায় এসে পুলিশের কাছে স্বেচ্ছায় ধরা দিয়েছেন স্বামী মঞ্জু মিয়া।

রবিবার (৭ ফেব্রুয়ারী ) সুন্দরগঞ্জের দহবন্দ ইউনিয়নের গোপাল চরণ গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। মঞ্জু মিয়া উক্ত গ্রামের নউম উদ্দিনের ছেলে।

এলাকাবাসি ও পারিবারিক সূত্রমতে, ১৬ বছর আগে বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মনিরাম কাজি ফলগাছা গ্রামের ফজলুল হকের কন্যা রেশমা বেগমের সঙ্গে মঞ্জুর বিয়ে হয়। সংসার জীবনে তাদের এক মেয়ে ও দুই ছেলে সন্তান রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই স্ত্রী রেশমা বেগমের সঙ্গে মঞ্জু মিয়ার পারিবারিক বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে রবিবার সকালে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মঞ্জু কুড়াল দিয়ে স্ত্রীর মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। এরপর স্বামী মঞ্জু মিয়া রিক্সা ভাড়া করে থানায় এসে পুলিশকে স্ত্রী হত্যার কথা স্বীকার করে। পরে তাকে থানা হাজতে নিয়ে লাশ উদ্ধারের জন্য পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এবং লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের থানায় নিয়ে যায়। এছাড়া ঘটনাটি এলাকায় দারুন চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

দহবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম কবির মুকুল জানান, পারিবারিক কলহের কারণে মঞ্জু মিয়া তার স্ত্রীকে হত্যা করেছে। তবে মঞ্জু মিয়া একজন মানষিক রোগী বলে তিনি দাবী করেন।

থানা পুলিশ পরিদর্শক বুলবুল ইসলাম জানান, মঞ্জুর স্বীকার উক্তি মোতাবেক সে তার স্ত্রীকে হত্যা করেছে। সে নিজে থানায় এসে হত্যার কথা স্বীকার করে পুলিশের নিকট ধরা দিয়েছে। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় আইননানুক ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ।

আরসিএন ২৪ বিডি. কম / ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১
এ এফ