রংপুর : রংপুরে ভেজাল বিরোধী অভিযানে ৩ বেকারীকে ২৫০০০/- টাকা জরিমানা করেছে ডিবি পুলিশ।

১৮ মে সোমবার পুলিশ কমিশনার আরপিএমপি মো : আবদুল আলীম মাহমুদ বিপিএম এর নির্দেশনায় আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসাবে এডিসি (ডিবি) জনাব উত্তম প্রসাদ পাঠক এর নেতৃত্বে এসি (ডিবি) জনাব মোঃ আলতাফ হোসেন, ইন্সপেক্টর জনাব এবিএম ফিরোজ ওয়াহিদ, ইন্সপেক্টর জনাব রাজেশ কুমার চক্রবর্তী, সঙ্গীয় অন্যান্য অফিসার ফোর্সদের সহায়তায় রংপুর মেট্রোপলিটনের বিভিন্ন এলাকায় ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।

উক্ত অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আফরিন জাহান ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন৷

১ম অভিযানঃ
জনৈক মোঃ মোখলেছুর রহমান, পিতা- মোঃ মকবুল হোসেন, সাং-পশ্চিম খাসবাগ, কোতয়ালী, আরপিএমপি, রংপুর এর বিষ্কুট তৈরির ফ্যাক্টরীতে অভিযান পরিচালনাকালে ভ্রাম্যমান আদালতের সামনে কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি এবং খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনের যথাযথ নিয়ম পালন করেননি মর্মে তার অপরাধ স্বীকার করলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন আইন-২০০৯ এর ৩৭ ধারা মতে ভ্রাম্যমান আদালত ১০,০০০/- টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন। উক্ত বেকারির মালিক নগদ ১০,০০০/-টাকা জরিমানা বাবদ প্রদান করিলে প্রথমবারের মত সতর্ক করা হয়।

২য় অভিযানঃ
রংপুর কোতয়ালী থানাধীন খাসবাগ সোনালী রাইস মিলের ভিতরে সাকসেস লাচ্ছা সেমাই তৈরির কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত কারখানায় তাদের লাচছা সেমাই উৎপাদন বন্ধ থাকলেও পুর্বের কিছু স্টক ছিল, সেগুলো দ্রুত বিক্রয় করা এবং পরবর্তী সেমায় তৈরী করার সময় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিস্কার পরিচ্ছন্নভাবে কাজ করাসহ শ্রমিকদের স্বাস্থ্য কার্ড ও মাস্ক ব্যবহার করার জন্য বলা হয়। তাদের সামান্য ভুলত্রুটি গুলোর জন্য মৌখিক ভাবে সতর্ক করা হয়।

৩য় অভিযানঃ
“জন্নাতুল বেকারী” এর মালিক মোছাঃ নুরজাহান বেগম, স্বামী-মোঃ আব্দুল লতিফ, দকিগঞ্জ পশ্চিম খাসবাগ, কোতয়ালী, রংপুর এর বসত বাড়ীর ভিতরে অবস্থিত বেকারিতে অভিযান পরিচালনা কালে বেকারীর মালিক কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। তাছাড়া পণ্যটি বিএসটিআই কতৃক মেয়াদ ও গুনগত মান যাচাই না করা এবং ফ্যাক্টরী পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না থাকায় বেকারির মালিক তার অপরাধ নিজ মুখে স্বীকার করায় ভ্রাম্যমান আদালত নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ এর ৩৩ ধারা মতে ১০,০০০/-টাকা জরিমান অনাদায়ে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন। উক্ত বেকারীর মালিক জরিমান বাবদ নগদ ১০,০০০/- টাকা প্রদান করিলে তাহাকে সতর্ক করা হয়।

৪র্থ অভিযানঃ
জনৈক মোঃ আনিস, পিতা- মৃত সিদ্দিক মিয়া, সাং-দকিগঞ্জ, কোতয়ালী, রংপুর এর বসত বাড়ীর ভিতরে সন-পাপরী তৈরি কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই সময় তিনি কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। তাই ভ্রাম্যমান আদালত তাকে ভোক্তা সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ৩৭ ধারা মতে ৫০০০/- টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন। এই সময় উক্ত কারখানার মালিক জরিমানা বাবদ ৫০০০/- টাকা প্রদান করলে তাকে বৈধ্য কাগজপত্র সহ নিয়ম মেনে পন্য উৎপাদন করার জন্য বলা হয় এবং সতর্ক করে মুক্তি দেয়া হয়।

আরসিএন ২৪বিডি ডট কম /১৮ মে ২০২০
আপডেট ১০:৫০পিএম