COVID-19 ভ্যাকসিন ৯০ শতাংশ কার্যকর: ফাইজার এবং বায়োএনটেক

371

করোনা ভাইরাসের কারণে সারা বিশ্বে অসহায়ের মতো মানুষের মৃত্যু হচ্ছে ।

তবে এই মহামারী থেকে কি ভাবে বের হয়ে আসবে তা নিয়ে যত গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে গোটা বিশ্ব।
ঠিক এমনই সময়ই স্বস্তির বার্তা! বাতাসে খবর উড়ছে, করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধক আবিষ্কার নিয়ে। তবে কতটুকু সত্য তা নিয়ে প্রশ্ন , আসলে কি করোনার টিকা আবিষ্কার হয়ে গেছে?

এমনি তথ্য পাওয়া গেছে যে , করোনা ভাইরাস প্রতিরোধী একটি ভ্যাকসিনের ৯০ শতাংশ কার্যকারিতা পেয়েছেন প্রস্ততকারকরা।
এমনি তথ্য জানিয়েছেন মার্কিন ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ফাইজার ও জার্মান জৈবপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বায়োএনটেক।
এ মাসের শেষের দিকে ভ্যাকসিনটি ব্যবহারের জন্য জরুরি অনুমোদন পেতে আবেদনের পরিকল্পনা করছে ওষুধ কোম্পানিগুলো। ফলে এই ভ্যাকসিন নিয়ে ইতোমধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাবের পর থেকেই এর প্রতিষেধক টিকা তৈরিতে গবেষণা চলছে। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ১৪০টিরও বেশি গবেষণার কাজ চললেও ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি চূড়ান্ত পরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে।

তবে এ ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে লজিস্টিক্যাল চ্যালেঞ্জ রয়েছে। একে মাইনাস ৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার নিচে রাখতে হবে। কতদিন ধরে মানুষের শরীরে ইমিউনিটি বজায় থাকবে তা নিয়েও প্রশ্ন থেকে গেছে। বয়সভেদে ভ্যাকসিনটির কার্যকারিতা কেমন হবে, তা স্পষ্ট করেনি ওষুদ কোম্পানিগুলো।

ফাইজারের চেয়ারম্যান আলবার্ট বুরলা বলেন, ‘এ স্বাস্থ্য সংকটের সমাপ্তি টানতে যুগান্তকারী আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে বিশ্ববাসীকে সহযোগিতা করার এক কদম দূর দাঁড়িয়ে আছি আমরা।’

অনুমোদিত হলে, ডোজ সংখ্যা প্রাথমিকভাবে সীমাবদ্ধ থাকবে এবং ভ্যাকসিনটি কতক্ষণ সুরক্ষা দেবে তা সহ অনেক প্রশ্ন থেকেই যায়। তবে এই খবরটি আশা জাগিয়ে তুলেছে যে উন্নয়নের অন্যান্য কভিড -১৯ টি ভ্যাকসিনগুলিও কার্যকর হতে পারে।

“আজ বিজ্ঞান ও মানবতার জন্য একটি দুর্দান্ত দিন,” ফিজারের চেয়ারম্যান এবং প্রধান নির্বাহী অ্যালবার্ট বোরলা বলেছেন।

“আমরা আমাদের ভ্যাকসিন ডেভলপমেন্ট প্রোগ্রামের এই সঙ্কটজনক মাইলফলকটি পৌঁছে যাচ্ছি যখন সংক্রমণের হার নতুন রেকর্ড স্থাপন করছে, অতিমাত্রায় ক্ষমতার কাছাকাছি থাকা হাসপাতালগুলি এবং অর্থনীতি পুনরায় চালু করার লড়াইয়ে বিশ্বের সবচেয়ে প্রয়োজন” “

ফিজারকে তার ভ্যাকসিনের জরুরী ব্যবহারের জন্য মার্কিন অনুমোদন চাইতে, গবেষণার প্রায় অর্ধশতাধিক ৪৪,০০০ অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে এটি দুই মাসের সুরক্ষা ডেটা লাগবে, যা এই মাসের শেষের দিকে প্রত্যাশিত।

এই ঘোষণার পরে বিশ্ব শেয়ারবাজারের এমএসসিআই সূচক রেকর্ড উচ্চে পৌঁছেছে। ফাইজারের শেয়ারগুলি নিউইয়র্কে percent শতাংশ বেশি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, বায়োএনটেকের মার্কিন স্টক ১৮ শতাংশ হারে লাফিয়ে উঠেছে।

ফাইজারের শীর্ষ ভ্যাকসিন বিজ্ঞানীদের একজন বিল গ্রুবার একটি সাক্ষাত্কারে বলেছিলেন, “আমি এক্সট্যাটিকের কাছাকাছি।” “এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য এবং আমরা এখন যে পরিস্থিতিতে রয়েছি সেখান থেকে আমাদের সকলকে সরিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনার পক্ষে একটি দুর্দান্ত দিন।”

আরসিএন ২৪বিডি.কম / ৯ নভেম্বর ২০২০
অনলাইন আপডেট : ১১:০৮ পিএম / জিএমএম